a88o-তে প্রতিটি ম্যাচের অডস সেকেন্ডে সেকেন্ডে আপডেট হয়। বাংলাদেশের বাজারে সর্বোচ্চ রেট, একাধিক মার্কেট এবং লাইভ বেটিং – সব একটাই প্ল্যাটফর্মে।
উপরের অডসগুলো প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে। আসল ও লাইভ অডসের জন্য a88o-তে লগইন করুন।
বাজির পরিমাণ ও অডস দিয়ে সম্ভাব্য জয় হিসাব করুন।
a88o-তে শুধু ম্যাচ উইনার নয়, ডজনখানেক আলাদা বেটিং মার্কেট পাওয়া যায়
সবচেয়ে সহজ মার্কেট – কে জিতবে সেটার উপর বাজি ধরুন। দুই দলের মধ্যে সরাসরি ফলাফল বেছে নিন।
সবচেয়ে জনপ্রিয়ম্যাচে মোট রান, গোল বা পয়েন্ট একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি হবে না কম হবে সেটা বেছে নিন।
ক্রিকেট ও ফুটবলেকোন খেলোয়াড় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করবেন বা ম্যাচে প্রথম গোল করবেন তার উপর বাজি ধরুন।
খেলোয়াড় কেন্দ্রিকম্যাচের প্রথম উইকেট কে নেবেন বা কোন দল প্রথম স্কোর করবে – এই ধরনের দ্রুত ফলাফলের মার্কেট।
তাৎক্ষণিক রোমাঞ্চক্রিকেট ম্যাচে টস উইনার, ফুটবলে কোন হাফে বেশি গোল – এই মজাদার মার্কেটগুলোও পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত মজাদুই দলের শক্তির পার্থক্য কমাতে হ্যান্ডিক্যাপ যোগ করা হয়। দুর্বল দলে বেট করলে বেশি পাওয়া যায়।
অভিজ্ঞ বেটারদের জন্য
অডস শব্দটা শুনলেই অনেকে ভাবেন এটা বোঝা কঠিন। আসলে ব্যাপারটা বেশ সহজ। অডস হলো একটা সংখ্যা যা বলে দেয়, আপনি এক টাকা বাজি ধরলে জিতলে মোট কত টাকা পাবেন। a88o-তে ডেসিমেল ফরম্যাটে অডস দেখানো হয়, যেটা বুঝতে সবচেয়ে সহজ।
ধরুন বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচে বাংলাদেশের অডস ১.৮৫। আপনি ৳১,০০০ বাজি ধরলেন। বাংলাদেশ জিতলে পাবেন ৳১,০০০ × ১.৮৫ = ৳১,৮৫০। অর্থাৎ আপনার মূল ৳১,০০০-র উপরে ৳৮৫০ লাভ হলো। অডস যত বেশি, জেতার সম্ভাবনা তত কম বলে মনে করা হয় – কিন্তু জিতলে পাওয়া যায় বেশি।
a88o-এর অডস ইঞ্জিন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ডেটা প্রোভাইডারের সাথে সংযুক্ত। এর মানে হলো ম্যাচে যখনই কিছু ঘটে – উইকেট পড়ে, গোল হয়, কোনো খেলোয়াড় চোট পান – সঙ্গে সঙ্গে অডস পরিবর্তন হয়। এই রিয়েলটাইম আপডেটের কারণে লাইভ বেটিংয়ে বড় সুবিধা পাওয়া যায়।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ক্রিকেটে বাংলাদেশ যদি শেষ ওভারে ২৫ রান দরকার থাকে তখন হয়তো তাদের অডস ৪.৫০-এর কাছাকাছি যাবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে বেট ধরলে জেতার সম্ভাবনা কম, কিন্তু জিতলে রিটার্ন অনেক বেশি। আবার যদি শেষ দুই ওভারে ৮ রান দরকার থাকে, অডস ১.২০-এর মতো কমে আসবে কারণ জেতা প্রায় নিশ্চিত। ঠিক কোন মুহূর্তে কোথায় বেট ধরবেন সেটাই লাইভ বেটিংয়ের আসল কৌশল।
বাংলাদেশে ক্রিকেট বেটিং সবচেয়ে বেশি হয়, তাই ক্রিকেটের অডস বোঝাটা জরুরি। ক্রিকেটে সাধারণত তিনটি ফলাফল সম্ভব – দল A জিতবে, দল B জিতবে, বা ড্র হবে (টেস্ট ম্যাচে)। T20 ও ODI-তে সাধারণত শুধু দুটো ফলাফল হয়, কারণ ড্রয়ের সম্ভাবনা প্রায় নেই।
a88o-তে ক্রিকেটের জন্য বিশেষ কিছু মার্কেট আছে যেগুলো অন্য প্ল্যাটফর্মে কম পাওয়া যায়। যেমন – প্রতিটি ওভারের রান (ওভার বাই ওভার বেটিং), কোন ব্যাটার ৫০ করবেন, কোন বোলার সবচেয়ে বেশি উইকেট নেবেন, ষষ্ঠ উইকেটের পর কত রান হবে এই ধরনের বিভিন্ন মার্কেট। এগুলো ম্যাচের মাঝখানে যারা আরও বেশি সম্পৃক্ত থাকতে চান তাদের জন্য দারুণ।
অনেক বেটার জানেন না যে একই ম্যাচের অডস বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একটু আলাদা হয়। a88o বাংলাদেশের বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অডস দেওয়ার চেষ্টা করে। সাধারণত বড় ম্যাচগুলোতে a88o-এর অডস শিল্পের গড়ের সমান বা কিছুটা ভালো থাকে।
একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো "ওভাররাউন্ড" বা বুক মার্জিন। প্রতিটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম সমস্ত ফলাফলের মোট অডস একটু কমিয়ে রাখে যাতে তাদের লাভ থাকে। a88o-তে এই মার্জিন তুলনামূলকভাবে কম, যার মানে খেলোয়াড়রা প্রতিটি বেটে তুলনামূলকভাবে বেশি পান।
অডস বেশি মানেই বেট ধরতে হবে এমন নয়। সবসময় নিজের বাজেটের মধ্যে থাকুন এবং একটি ম্যাচের উপর অতিরিক্ত বাজি ধরা এড়িয়ে চলুন। a88o-এর দায়িত্বশীল খেলা পেজে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে।
ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মার্কেট হলো এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপ, বিশেষত এশিয়ার বেটারদের মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই পদ্ধতিতে দুর্বল দলকে একটি সুবিধা দেওয়া হয়। যেমন ম্যান সিটি বনাম নর্থাম্পটন ম্যাচে নর্থাম্পটনকে +২ গোলের হ্যান্ডিক্যাপ দেওয়া হতে পারে। মানে নর্থাম্পটন ২-১ গোলে হারলেও হ্যান্ডিক্যাপ মিলিয়ে তারা ড্র করেছে বলে ধরা হয়।
a88o-তে এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপ, ইউরোপিয়ান হ্যান্ডিক্যাপ এবং স্ট্যান্ডার্ড ১X২ মার্কেট তিনটিই পাওয়া যায়। নতুন বেটারদের জন্য ১X২ দিয়ে শুরু করাই ভালো, কারণ এটা সবচেয়ে সহজবোধ্য।
লাইভ বেটিংয়ে সফলতার রহস্য হলো ম্যাচের গতিবিধি সঠিকভাবে পড়তে পারা। শুধু অডস দেখলেই হবে না, ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝতে হবে। ক্রিকেটে পিচ কেমন, কোন দলের উইকেটরক্ষক কতটা ভালো ফর্মে আছেন, আবহাওয়া কেমন – এই তথ্যগুলো লাইভ অডসের সাথে মিলিয়ে দেখলে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
a88o-এর মোবাইল অ্যাপে লাইভ স্কোর এবং স্ট্যাটিস্টিক্স একসাথে দেখা যায়। ম্যাচের বল-বাই-বল আপডেট পাওয়া যায় এবং সেই সাথে অডস পরিবর্তনের নোটিফিকেশনও আসে। এই সুবিধাগুলো ব্যবহার করে অনেক বেটার লাইভ বেটিংয়ে ভালো ফলাফল পাচ্ছেন।
| দল | a88o | গড় |
|---|---|---|
| বাংলাদেশ | ১.৮৫ | ১.৮০ |
| ভারত | ২.১০ | ২.০৫ |
তুলনামূলক তথ্য, আসল অডস আলাদা হতে পারে।
নতুন হলে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন – প্রথমবার বেট করাটা একটু অনুশীলন করলেই সহজ হয়ে যায়।
ম্যাচ অডস পেজ থেকে আপনার পছন্দের খেলা বা টুর্নামেন্ট খুঁজুন। লাইভ ম্যাচ বা আসন্ন ম্যাচ দুটোতেই বেট করা যায়।
ম্যাচ উইনার, ওভার/আন্ডার বা অন্য যেকোনো মার্কেটে পছন্দের অডসটিতে ক্লিক করুন। সেটি বেট স্লিপে যোগ হবে।
বেট স্লিপে আপনি কত টাকা বাজি ধরতে চান সেটা লিখুন। সম্ভাব্য জয়ের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।
"বেট রাখুন" বাটনে ক্লিক করুন। বেট নিশ্চিত হলে একটি রেফারেন্স নম্বর পাবেন, সেটা সংরক্ষণ করুন।
a88o-তে ডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বিভিন্ন দেশে অডস দেখানোর পদ্ধতি আলাদা।
| ডেসিমেল (a88o) | ফ্র্যাকশনাল | আমেরিকান | জেতার % সম্ভাবনা |
|---|---|---|---|
| ১.৫০ | ১/২ | -২০০ | ৬৬.৭% |
| ২.০০ | ১/১ | +১০০ | ৫০.০% |
| ২.৫০ | ৩/২ | +১৫০ | ৪০.০% |
| ৩.০০ | ২/১ | +২০০ | ৩৩.৩% |
| ৫.০০ | ৪/১ | +৪০০ | ২০.০% |
জেতার সম্ভাবনা = ১ ÷ ডেসিমেল অডস × ১০০। এটি বুক মার্জিন ছাড়ার আগের তাত্ত্বিক হিসাব।
ম্যাচ অডস ও বেটিং নিয়ে যে প্রশ্নগুলো বেশি আসে
a88o-তে অ্যাকাউন্ট খুলুন, বিকাশে ডিপোজিট করুন এবং রিয়েলটাইম অডসে আপনার পছন্দের ম্যাচে বাজি ধরুন।
১৮+ বছর বয়স আবশ্যক। সামর্থ্যের মধ্যে খেলুন।